তোমার মতে হরপ্পা সভ্যতাকে নগরাশ্রয়ী বলা হয় কেন?

হরপ্পা সভ্যতার শহুরে জটিলতা

হরপ্পা সভ্যতাকে নগরাশ্রয়ী
#হরপ্পা #সিন্ধু উপত্যকা #নগর সভ্যতা

দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে একটি অন্যতম অধ্যায় হল হরপ্পা সভ্যতা। শিরিন রত্নাগর বলেছেন—“উন্মুক্ততা, পারস্পরিক যোগাযোগ, অন্তর্বিবাহ এবং দ্বিভাষিকতার মধ্যেই সংস্কৃতির গতিময়তা।" এই সভ্যতা হরপ্পা সভ্যতার অসাধারণত্বের কারণ।
১৯২১ থেকে ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে প্রখ্যাত ঐতিহাসিক রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও দয়ারাম সাহানী যথাক্রমে সিন্ধুপ্রদেশের লারকানা জেলার মহেঞ্জোদাড়ো ও পাঞ্জাবের মন্টগোমারি জেলার হরপ্পায় খননকার্য চালিয়ে এই সুপ্রাচীন সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করেন। সিন্ধুর অববাহিকায় বিকশিত হওয়ায় এই সভ্যতা ‘সিন্ধু-সভ্যতা’ নামে খ্যাত ছিল। পরে আরো ব্যাপক অঞ্চলে এর বিস্তৃতি লক্ষ করে নামকরণ করা হয়েছে 'হরপ্পা সংস্কৃতি'। কারণ আলোকজান্ডার কানিংহাম ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ হরপ্পায় একটি সিলমোহর আবিষ্কার করেছিলেন। সেই হিসাবে হরপ্পাতে এই সভ্যতার প্রথম নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয় এবং আলোচ্য নাম দেওয়া হয় 'হরপ্পা সভ্যতা”। এই সভ্যতাকে বেশ কয়েকটি মূল কারণের কারণে একটি নগরাশ্রয়ী সভ্যতা বলে বিবেচিত হয়:

হরপ্পার শহর পরিকল্পনা

সিন্ধু সভ্যতা বা হরপ্পা সভ্যতা ছিল নগরকেন্দ্রিক। এখানে প্রায় ১৫০০টি কেন্দ্র আবিষ্কৃত হলেও, এর সামান্য কয়েকটি কেন্দ্রই নগর নামের অধিকারী। এই সব নগর কেন্দ্রগুলির মধ্যে মহেঞ্জোদাড়ো, হরপ্পা, চানহুদাড়ো, কালিবঙ্গান, বানওয়ালি, সুরকোটাডা, রোজদি, লোথাল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। শহরগুলির দুটি এলাকা উঁচু এলাকা এবং নীচু এলাকা।

মহেঞ্জোদাড়ো শহরটির পশ্চিম দিকে প্রায় চল্লিশ ফুট উঁচু একটি বিশালায়তন ঢিবির উপর একটি দুর্গ ছিল, একে দুর্গাঞ্চল বা Citadel Area বলা হয়। এই অঞ্চল ঘিরে ছিল বিশাল প্রাচীর। কেবলমাত্র মহেঞ্জোদাড়ো বা হরপ্পাই নয় ছোটো ছোটো বহু নগরেই এই ব্যবস্থা ছিল। এই দুর্গ অঞ্চলে কিছু ঘরবাড়িও আবিষ্কৃত হয়েছে। মনে হয়, সেগুলি ছিল শাসকদের বাসস্থান।

 প্রসস্থ রাস্তাঘাট

শহরের রাস্তাগুলি ছিল ১-৩৪ ফুট চওড়া। এগুলি সোজাভাবে শহরের একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। বড়ো রাস্তা থেকে বিভিন্ন ছোটো ছোটো গলির মধ্যে দিয়ে এক অংশ থেকে অন্য অংশে যাওয়া সম্ভব ছিল। রাস্তার ধারের ঘরগুলি দোকান বা ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত হত বলে মনে হয়। 

 উন্নত পয়ঃপ্রণালী ব্যবস্থা

এই সভ্যতার পরাপ্রণালী ব্যবস্থাও ছিল যথেষ্ট উন্নত। প্রতিটি বাড়ি থেকে নালা গুলি বেরিয়ে এসে গলির ছোট নর্দমায় এসে পরত এবং গলির নালা গুলি বড় রাস্তার বড় নর্দমার সঙ্গে যুক্ত থাকত। স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে প্রতিটি নর্দমাই ছিল ঢাকনা দিয়ে ঢাকা।

 বৃহৎ স্নানাগার

মহেঞ্জোদাড়োতে বৃহৎ স্নানাগার পাওয়া গেছে। বৃহৎ স্নানাগারটি ছিল মহেঞ্জোদড়োর দুর্গের কাছে। ১৮০ ফুট × ১০৮ ফুট আয়তনবিশিষ্ট ছিল এটি। এর মাঝখানে অবস্থিত স্নানাগারটি ছিল লম্বায় ৩৯ ফুট, চওড়ায় ২৩ ফুট ও গভীরতায় ৮ ফুট। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন জল থাকার জন্য জল প্রবেশ ও বের করার সুব্যবস্থা ছিল। জলাশয়ের নোংরা জল নিকাশ ও তাতে পরিষ্কার জল পূর্ণ করার ব্যবস্থা ছিল। ঋতুভেদে জল গরম বা ঠান্ডা করার ব্যবস্থাও ছিল। স্নানাগারের তিনদিকে ছিল বারান্দা এবং ছোটো ছোটো ঘর লক্ষ্য করা যায়। ড. রামশরণ শর্মা (R. S. Sharma)-র মতে স্নানের পর পোশাক পরিবর্তনের জন্য ঘরগুলি ব্যবহৃত হত,য। স্যার মার্টিমার হুইলার মনে করেন যে, ভারতীয় ধর্মীয় জীবনে স্নানের গুরুত্ব অপরিসীম। স্নানাগারটি ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হত এবং সন্নিহিত ঘরগুলি ছিল পুরোহিতদের বাসস্থান। অপরদিকে ড. দামোদর ধর্মানন্দ কোশাস্ত্রী (D. D. Kosambi) এই কক্ষগুলিকে পতিতাদের বাসস্থান বলে উল্লেখ করেছেন।

 বৃহৎ শস্যাগার

হরপ্পা ও মহেঞ্জোদাড়োয় একটি করে বৃহৎ শস্যাগার আবিস্কৃত হয়েছে। হরপ্পা ও মহেঞ্জোদাড়োয় প্রাপ্ত দুটি শস্যগার হরপ্পা সভ্যতার নাগরিক বৈশিষ্ট্যকে সুচিত করে। যার আয়তন ছিল ২০০ ফুট এবং প্রস্থে ১৫০ ফুট। শস্যাগার সংলগ্ন বিরাট চাতালে শস্য ঝাড়াই মাড়াই করা হত। শস্যাগারের পাশেই ছিল শ্রমিকদের বাসস্থান। কালিবঙ্গানের দক্ষিণেও ইটের তৈরি মঞ্চের সন্ধান পাওয়া গেছে। অনুমান করা হয় এগুলিও শস্যগোলা হিসাবে ব্যবহৃত হত।  ড. এ. এল. ব্যাশাম এটিকে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের সাথে তুলনা করেছেন। স্যার মাটিমার হুইলার বলেন যে, খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকের পূর্বে এ ধরনের বিশাল শস্যাগার পৃথিবীর আর কোথাও পাওয়া যায়নি।

 হরপ্পার বৃহৎ নগর কেন্দ্র

হরপ্পা ও মহেঞ্জোদাড়ো হরপ্পা সভ্যতার দুটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। পরবর্তীকালে আবিষ্কৃত হয় লোথাল ও কালিবঙ্গান। পূর্ব-পাঞ্জাব, রাজস্থান, কাথিয়াবাড় উপদ্বীপ, নর্মদা নদীর মোহনা ও মহারাষ্ট্রের কিছু অংশ পর্যন্ত হরপ্পা সভ্যতার বিস্তৃতি ছিল। এছাড়া জম্মু দিল্লি অঞ্চল ও পশ্চিম যুক্তপ্রদেশের বহির্ভাগে হরপ্পা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে।

 হরপ্পার উন্নত স্থাপত্য

হরপ্পার মানুষরা বহুতল বাড়ি, স্নানাগার, শস্যাগার এবং সুরক্ষিত দুর্গ সহ চিত্তাকর্ষক ভবন নির্মাণ করেছিল। মহেঞ্জোদাড়োতে প্রধানত পাঁচ প্রকারের ইমারত দেখা যায়।

  • (১) বাসগৃহ
  • (২) দেবালয় বা ভজনালয়
  • (৩) সাধারণ স্নানাগার 
  • (৪) শস্যাগার
  • (৫) দুর্গ

হরপ্পা মহেঞ্জোদাড়ো ইত্যাদি নগরে বসতবাড়ি বা বাসগৃহ নির্মাণের প্রধান উপাদান ছিল পোড়া ইট। ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীনতম হলঘরটির ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে মহেঞ্জোদাড়োতে। একাধিক তলবিশিষ্ট প্রাসাদ নির্মাণের কলাকৌশল ভারত অতীত প্রাচীনকালে আয়ত্ত করেছিল। উপমহাদেশের প্রাচীনতম প্রাসাদের নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে হরপ্পীয় নগরগুলিতে।

 হরপ্পার ব্যবসা ও বাণিজ্য

ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি ছাড়া নগর সভ্যতার বিকাশ হয় না। সিন্ধু উপত্যকায় যে উন্নতি ও আরামপ্রদ নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল তার মূলে ছিল বাণিজ্যিক সমৃদ্ধি। সিন্ধু অধিবাসীদের অপর জীবিকাই ছিল বাণিজ্য। এই বাণিজ্য প্রতিবেশী অঞ্চলের সঙ্গে চলত। ভারতের বাইরে পশ্চিম এশিয়ার সঙ্গে সুমার বা মেসোপোটেমিয়ার বেশির ভাগ বাণিজ্য চলত। এছাড়া মিশর ও তুর্কিস্তানের সঙ্গে যথাক্রমে জলভাগে ও স্থলভাগে বাণিজ্যিক যোগ ছিল বলে মনে করা হয়।

মেসোপোটেমিয়ায় ভারতীয় বণিকদের উপনিবেশ ছিল বলে মনে করা হয়। হরপ্পার নগরগুলি থেকে হাতির দাঁতের তৈরি জিনিস কাপড় মণি মুক্তা, ময়ূর, ময়ূরপুচ্ছ প্রভৃতি রপ্তানি হত। সম্ভবত সমুদ্র পথেই এই বাণিজ্য চলত। লোথালে একটি জাহাজ ঘাট আবিষ্কার হওয়ার ফলে এই অনুমান সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে।

 হরপ্পার কারুশিল্প

তাঁরা সৌন্দর্যের চাইতে প্রয়োজনীয়তার কথা বেশি ভেবেছিল। তাঁরা নজর দিয়েছিল স্বাস্থ্য, স্বাচ্ছন্দ্য ও স্থায়িত্বের দিকে, নগরগুলির গঠনে ব্যবহারিক সুবিধার দিকে বেশি নজর দেওয়া হয়েছিল। নগরে সৌন্দর্য বৃদ্ধি অথবা গৃহগুলির স্থাপত্য শিল্প রচনার দিকে তেমন দৃষ্টি দেওয়া হয়নি। মার্টিমার হুইলার এই কারণে মন্তব্য করেছেন, “সিন্ধু নগরগুলির অধিবাসীরা ছিল বাণিজ্যজীবী বুর্জোয়া এবং সিন্ধু নগরগুলির জীবনযাত্রায় বুর্জোয়া সভ্যতার ছাপ দেখতে পাওয়া যায়।”

 হরপ্পার সামাজিক কাঠামো

সামাজিক শ্রেণীবিন্যাসের ইঙ্গিত লক্ষ্য করা যায় শহরগুলির বিন্যাসে এবং আবাসনের আকারের বিভিন্নতার মধ্যে। হরপ্পা ও মহেঞ্জোদড়োর নগর অঞ্চল দুটি অংশে বিভক্ত ছিল। একটি উঁচু অঞ্চল অন্যটি নীচু অঞ্চল। আয়তাকার প্রাচীরবিশিষ্ট এলাকাগুলিতে সম্ভবত অভিজাত মানুষদের বসবাস ছিল এবং নীচু অংশে সাধারণ মানুষের বসবাস ছিল। হরপ্পা সভ্যতায় বড়ো বড়ো অট্টালিকা, দুতলা, তিনতলা বাড়ি ছিল, মনে হয় এগুলি অভিজাতদের বাসস্থান ছিল। ক্ষুদ্রাকার বাড়িগুলিতে এবং মাঝারি বাড়িগুলিতে সাধারণ মানুষরা বাস করত। তবে লক্ষ্যণীয় যে প্রতিটি বাড়ির গঠনই ছিল চতুষ্কোণ উঠোন যুক্ত। রান্নাঘর, স্নানের ঘর, শয্যাঘর সব পৃথক পৃথক ছিল। ঘরের দরজা জানালা এমনভাবে তৈরি ছিল যাতে স্বাস্থ্যকর বসবাস ও সুরক্ষা দুই সম্ভব হয়।

 এই বৈশিষ্ট্যগুলি সম্মিলিতভাবে হরপ্পা সভ্যতাকে নগরাশ্রয়ী বলেই চিহ্নিত করে থাকে। এর সু-উন্নত সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং প্রশাসনিক কাঠামো সভ্যতার বিকাশকে তুলে ধরে। তবে হরপ্পার লিপির পাঠ করা গেলে এই সভ্যতা সম্পর্কে আরো অনেক তথ্য জানা যেত।

Related MCQ Question on হরপ্পা সভ্যতাকে নগরাশ্রয়ী

1. প্রশ্ন: হরপ্পা সভ্যতা ___________ নামেও পরিচিত।

    ক) মেসোপটেমিয়া সভ্যতা

    খ) মিশরীয় সভ্যতা

    গ) সিন্ধু সভ্যতা

    ঘ) মায়া সভ্যতা

    উত্তর: গ) সিন্ধু সভ্যতা

 2. প্রশ্ন: হরপ্পা শহরগুলির একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য কী যা তাদের নগর পরিকল্পনা প্রদর্শন করে?

    ক) বৃত্তাকার রাস্তার নিদর্শন

    খ) রৈখিক রাস্তার নিদর্শন

    গ) গ্রিডের মতো রাস্তার প্যাটার্ন

    d) এলোমেলো রাস্তার নিদর্শন

    উত্তর: গ) গ্রিডের মতো রাস্তার প্যাটার্ন

 3. প্রশ্ন: হরপ্পা শহরগুলি তাদের উন্নত ____________ ব্যবস্থা দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছিল।

    ক) পরিবহন

    খ) যোগাযোগ

    গ) স্যানিটেশন

    ঘ) শিক্ষা

    উত্তর: গ) স্যানিটেশন

 4. প্রশ্ন: কোন প্রমাণ থেকে বোঝা যায় যে হরপ্পা সভ্যতা ব্যবসা-বাণিজ্যে নিযুক্ত ছিল?

    ক) মন্দিরের উপস্থিতি

    খ) সুরক্ষিত দেয়ালের উপস্থিতি

    গ) মানসম্মত ওজন এবং পরিমাপ

    ঘ) স্মারক মূর্তি

    উত্তর: গ) মানসম্মত ওজন এবং পরিমাপ

 5. প্রশ্ন: হরপ্পাবাসীদের দ্বারা ব্যবহৃত প্রাথমিক লিখন পদ্ধতি কি ছিল?

    ক) কিউনিফর্ম

    খ) হায়ারোগ্লিফিকস

    গ) সংস্কৃত

    ঘ) সিন্ধু লিপি (অব্যক্ত)

    উত্তর: ঘ) সিন্ধু লিপি (অব্যক্ত)

 6. প্রশ্ন: মহেঞ্জোদারো এবং হরপ্পার মতো হরপ্পা শহরগুলির জনসংখ্যা ছিল:

    ক) কয়েকশ থেকে কয়েক হাজার

    খ) এক হাজার থেকে কয়েক হাজার

    গ) লক্ষ লক্ষ

    ঘ) একশর কম

    উত্তরঃ খ) এক হাজার থেকে কয়েক হাজার

 7. প্রশ্ন: হরপ্পান সাইটগুলিতে সামাজিক পার্থক্যের কোন প্রমাণ পাওয়া গেছে?

    ক) অনন্য নিদর্শন সহ সমাধিক্ষেত্র

    খ) গয়নাতে সোনার ব্যাপক ব্যবহার

    গ) শহর জুড়ে একই আকারের ঘর

    d) বাড়ির আকার এবং বিন্যাসে তারতম্য

    উত্তর: ঘ) বাড়ির আকার এবং বিন্যাসের তারতম্য

 8. প্রশ্ন: হরপ্পা সভ্যতা মূলত কোন আধুনিক অঞ্চলে উন্নতি লাভ করেছিল?

    ক) দক্ষিণ আমেরিকা

    খ) মধ্যপ্রাচ্য

    গ) দক্ষিণ এশিয়া

    ঘ) ইউরোপ

    উত্তরঃ গ) দক্ষিণ এশিয়া

 9. প্রশ্ন: হরপ্পা শহরগুলি চিত্তাকর্ষক স্থাপত্যের গর্ব করেছিল, যার মধ্যে রয়েছে:

    ক) আকাশচুম্বী ভবন

    খ) পিরামিড

    গ) বহুতল বাড়ি

    ঘ) ভাসমান বাগান

    উত্তরঃ গ) বহুতল বাড়ি

 10. প্রশ্ন: কোন উন্নত নিষ্কাশন ব্যবস্থা হরপ্পা নগর পরিকল্পনার একটি বৈশিষ্ট্য ছিল?

     ক) ভূগর্ভস্থ টানেল

     খ) খোলা নর্দমা

     গ) খাল

     ঘ) ঢাকনা ড্রেন

     উত্তর: ঘ) ঢাকনা ড্রেন

Next Post Previous Post