মোগল সাম্রাজ্যের পতনের সময় ভারতে নৰোধিত বিভিন্ন আঞ্চলিক শক্তিগুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

 ভারত মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের সময় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

ভারত মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের সময় আঞ্চলিক শক্তির উত্থান
আঞ্চলিক শক্তির উত্থান

মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের সময়, বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক শক্তির আবির্ভাব ঘটে এবং ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে। অষ্টাদশ শতকে মোগল সাম্রাজ্যের পতনের সময় ভারতে নৰোধিত বিভিন্ন আঞ্চলিক শক্তিগুলিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়,
Succession State বাংলা, অযোধ্যা, হায়দ্রাবাদ
Independent State মহীশূর, কেরল, রাজপুত
New State জাট, পাঠান, শিখ, মারাঠা
 এই আঞ্চলিক শক্তিগুলো ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এখানে সেই সময়ের কিছু বিশিষ্ট আঞ্চলিক শক্তি রয়েছে:

 1. মারাঠা: 

মারাঠারা পশ্চিম দাক্ষিণাত্যের একটি যোদ্ধা সম্প্রদায় ছিল। শিবাজীর নেতৃত্বে এবং পরে পেশোয়াদের নেতৃত্বে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। তারা একটি বৃহৎ মারাঠা সাম্রাজ্য তৈরি করেছিল এবং কার্যকরভাবে পশ্চিম, মধ্য এবং দক্ষিণ ভারতের উল্লেখযোগ্য অংশগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করেছিল। বালাজী বিশ্বনাথ ছিলেন রাজা শাহুর পেশোয়া। ১৭১৩ সালে শাহু বালাজীকে তার মুখ্যমন্ত্রী তথা মুখ্য প্রধান বা পেশওয়া নিযুক্ত করেন। এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়েই মারাঠাদের ইতিহাসে পেশওয়াদের আদি পর্ব শুরু হয়। এই পর্বেই মারাঠা রাজ্য মারাঠা সাম্রাজ্যে পরিণত হয়।

বস্তুতঃ বালাজী বিশ্বনাথ ও তার পুত্র প্রথম বাজীরাও 'পেশোয়া'কে মারাঠা সাম্রাজ্যের কার্যকরী মস্তিষ্কে পরিণত করেন। ১৭২০ সালে বালাজী বিশ্বনাথ মারা যান। পেশোয়া রূপে তাঁর ২০ বছরের পুত্র প্রথম বাজিরাও তাঁর উত্তরসূরী হন। বয়সে তরুণ হওয়া সত্ত্বেও বাজিরাও ছিলেন একজন সাহসী, দক্ষ সেনানায়ক ও উচ্চাকাক্ষী এবং বুদ্ধিমান রাজনীতিজ্ঞ। তাকে "শিবাজীর পরেই গেরিলা কৌশলের মহান প্রবক্তা" রূপে বর্ণনা করা হয়েছে।

নং পেশোয়ার নাম শাসনকাল
পেশোয়া বালাজি বিশ্বনাথ ১৭১৩ - ১৭২০
পেশোয়া প্রথম বাজিরাও ১৭২০ - ১৭৪০
পেশোয়া বালাজী বাজিরাও ১৭৪০ - ১৭৬১
পেশোয়া মাধবরাও ১৭৬১ - ১৭৭২
পেশোয়া সোয়াই মাধবরাও ১৭৭২ - ১৭৯৫
পেশোয়া দ্বিতীয় বাজিরাও ১৭৯৫ - ?
পেশোয়া নানা সাহেব ? - ১৮৫৭

১৭৪০ সালের এপ্রিল মাসে বাজিরাও মারা যান। বাজিরাও-এর ১৮ বছরের পুত্র বালাজী বাজিরাও (যিনি নানাসাহেব নামে বেশী পরিচিত) ১৭৪০ থেকে ১৭৬১ সাল পর্যন্ত পেশওয়া ছিলেন। তিনি তার পিতার মতোই সক্ষম ও যোগ্য ছিলেন। ১৭৪৯ সালে রাজা শাহু মারা যান এবং দলিল করে রাজ্যের দেখাশোনার দায়িত্ব পেশোয়ার হাতে তুলে দেন। পেশোয়া পদ ইতিমধ্যেই বংশানুক্রমিক হয়ে যায়। পেশোয়াই হয়ে ওঠে রাজ্যের প্রকৃত শাসক। পরবর্তীকালে ইন্দ্ব-মারাঠা যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে মারাঠা শাসনের অবসান ঘটে।

নং ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধ সময়
প্রথম ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধ (সলবাই সন্ধি) ১৭৭৫ - ১৭৮২
দ্বিতীয় ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধ ১৮০৩ - ১৮০৫
তৃতীয় ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধ ১৮১৬ - ১৮১৯


 2. মহীশূর: 

হায়দার আলির নেতৃত্বে মহীশূর রাজ্যের উত্থান ঘটেছিল। ১৭৬১ সালে তিনি নাঞ্জরাজকে উৎখাত করেন এবং মহীশূর রাজ্যে নিজ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। বিরোধী পলিগারদের (যুদ্ধপ্রবণ সর্দার ও জমিদাররা) উপরে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করেন। ১৭৮২ সালে দ্বিতীয় ইন্দ্ব মহীশূর যুদ্ধে তিনি মারা যান। উত্তরসূরী হিসেবে সিংহাসনে বসেন তাঁর পুত্র টিপু।

টিপু সুলতান ১৭৯৯ সাল পর্যন্ত মহীশূর রাজ্যটি শাসন করে ছিলেন। তিনি এক নতুন ক্যালেণ্ডার বা পঞ্জিকা, নতুন মুদ্রা ব্যবস্থা এবং নতুন ওজন ও পরিমাপ ব্যবস্থার প্রচলন করেন। শ্রীরঙ্গপত্তনমে তিনি 'টি অব লিবার্টি' প্রতিষ্ঠা করেন এবং ফরাসি জ্যাকোবিন ক্লাবের সদস্য হয়েছিলেন।

 মহীশূর রাজ্য হায়দার আলি এবং টিপু সুলতানের মতো শাসকদের নেতৃত্বে দক্ষিণ ভারতে একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক শক্তি হিসাবে আবির্ভূত হয়েছিল। তারা এই অঞ্চলে ব্রিটিশ সম্প্রসারণকে চ্যালেঞ্জ করেছিল এবং তাদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল।

নং শাসক বছর
হায়দার আলি ১৭৬১ - ১৭৯২
টিপু সুলতান ১৭৯২ - ১৭৯৯


 3. শিখ: 

পঞ্চদশ শতকের শেষে গুরুনানক শিখ ধর্মের প্রতিষ্ঠা করেন। পরে জাট কৃষকদের মধ্যে এই ধর্ম ছড়িয়ে পড়ে। পাঞ্জাবের অন্যান্য নিম্নজাতির মধ্যেও এই ধর্ম বিস্তার লাভ করেছিল। গুরু হরগোবিন্দ (১৬০৬-৪৫ ) শিখদের সংগ্রামশীল, লড়াকু করে তুলতে শুরু করেন। শিখদের দশম ও শেষ গুরু, গুরু গোবিন্দ সিং-এর নেতৃত্বেই (১৬৬৬- ১৭০৮) শিখরা রাজনৈতিক শক্তি ও সামরিক শক্তিতে পরিণত হয়ে ওঠে। গুরু গোবিন্দ সিং-এর মৃত্যুর পরে প্রতিষ্ঠানিকভাবে গুরুতন্ত্রের অবসান হয়। শিখদের নেতৃত্ব তখন গুরু গোবিন্দ সিংহের বিশ্বস্ত শিষ্য বান্দা সিং বাহাদুরের ওপারে ন্যস্ত করেন।

নং শিখ গুরু সময়কাল
গুরু গোবিন্দ সিং ১৬৬৬ - ১৭০৪
বান্দা বাহাদুর সিং ১৭০৪ - ১৭১৫

নাদির শাহ্ ও আহমদ শাহ আবদালির আক্রমণের পরিণামস্বরূপ পাঞ্জাবের প্রশাসনে অচলাবস্থা দেখা দেয়। এই অবস্থায় শিখদের পুনরুত্থানের সুযোগ আসে। কিছুদিনের মধ্যেই তারা রাজনৈতিক শূণ্যতাকে পূরণ করতে শুরু করে। ১৭৬৫ সাল থেকে ১৮০০-র মধ্যে তারা পাঞ্জাব ও জম্মুকে তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন করেন। শিখরা ১২টি মিশল বা ছোট ছোট সংঘ সংগঠিত করেছিলেন। পাঞ্জাব প্রদেশের বিভিন্ন অংশে এই সংঘগুলি কাজ করত। মহারাজা রঞ্জিত সিংয়ের নেতৃত্বে শিখ সাম্রাজ্য বর্তমান পাঞ্জাব এবং কাশ্মীরের কিছু অংশ সহ ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি শক্তিশালী শক্তিতে পরিণত হয়েছিল। বলা হয়ে থাকে, ১৮ শতকে এশিয়ার মধ্যে রঞ্জিত সিংহের বাহিনীই ছিল দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ বাহিনী। প্রথমটি ছিল ইংরেজ ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানীর।


 4. বাংলা: 

মোগল সম্রাট ঔরঙ্গজেব তাঁর বিশ্বস্ত অনুচর মুর্শিদকুলি খাঁ-কে বাংলার দেওয়ান অর্থাৎ রাজস্ব বিভাগের প্রধান কর্মচারী নিযুক্ত করেন (১৭০০ খ্রি.)। ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে তিনি বাংলা ও উড়িষ্যার 'সুবাদার' বা নবাব নিযুক্ত হন। প্রকৃতপক্ষে এই সময় থেকেই বাংলায় স্বাধীন নবাবি শাসনের সূচনা হয়। মুর্শিদকুলি বাংলায় শান্তি-শৃঙ্খলা ও সুশাসন প্রবর্তন করেন। বাংলা অঞ্চল, মুঘল কর্তৃত্বের পতনের পর, বিভিন্ন স্বাধীন নবাব এবং শাসকদের উত্থান প্রত্যক্ষ করেছে যারা পূর্ব ভারতের উপর উল্লেখযোগ্য নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ করেছিল।

নং সুবাদার বা নবাব বছর
মুর্শিদকুলী খান ১৭১৭ - ১৭২৭
সুজা উদ্দিন ১৭২৭ - ১৭৩৯
সরফরাজ খান ১৭৩৯ - ১৭৪০
আলিবর্দি খান ১৭৪০ - ১৭৫৬
সিরাজ উদ্ দৌলা ১৭৫৬ - ১৭৫৬
মিরজাফর ১৭৫৭ - ১৭৬০
মিরকাশিম ১৭৬০ - ১৭৬৩
মিরজাফর ১৭৬৩ - ১৭৬৫
নিজাম উদ্ দৌলা ১৭৬৫


 5. আযোধ্যা: 

বর্তমান উত্তর প্রদেশের একটি অঞ্চল আযোধ্যা নবাবরা প্রভাবশালী হয়ে ওঠে এবং মুঘল শক্তি দুর্বল হওয়ার পর তাদের স্বাধীন শাসন প্রতিষ্ঠা করে। মোগল আমলে অযোধ্যা ‘সুবা’ বা প্রদেশ বলতে বর্তমান অযোধ্যা, বারাণসী, এলাহাবাদ ও কানপুরের একাংশকে বোঝাত। ১৭২৪ খ্রিস্টাব্দে সাদাত খাঁ (১৬৮০-১৭৩৯ খ্রি.) অযোধ্যার ‘সুবাদার' বা নবাব নিযুক্ত হন। তিনি অযোধ্যায় স্বাধীন রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন।

নং সুবাদার বা নবাব বছর
সাদাত খান ১৭২২ - ১৭৩৯
সফদর জং ১৭৩৯ - ১৭৫৪


 6. হায়দ্রাবাদ: 

দক্ষিণ দাক্ষিণাত্যে হায়দ্রাবাদের নিজামরা একটি শক্তিশালী রাজবংশ হিসাবে আবির্ভূত হয়েছিল এবং এই অঞ্চলে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করেছিল। দিল্লির মোগল দরবারের তুরানি গোষ্ঠীর অন্যতম নেতা মির করমউদ্দিন চিন কিলিচ খাঁ বা নিজাম- উল-মুলক ১৭২২ খ্রিস্টাব্দে মোগল সম্রাট মহম্মদ শাহের প্রধানমন্ত্রী বা উজির নিযুক্ত হন।

নং সুবাদার বছর
নিজাম উল মুলুক ১৭২৪ - ১৭৪৮
মুজফর জং ১৭৪৯
সালাবত জং ১৭৪৯


 7. গুজরাট: 

গুজরাট অঞ্চল স্বাধীন শাসকদের উত্থান দেখেছিল যারা তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল এবং পশ্চিম ভারতে ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করেছিল।


 8. রাজস্থান: 

রাজস্থানের বিভিন্ন রাজপুত রাজ্য এবং রাজকীয় রাজ্যগুলি তাদের স্বায়ত্তশাসন বজায় রেখেছিল এবং উত্তর ভারতের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।


 এই আঞ্চলিক শক্তিগুলো প্রায়ই সংঘর্ষে লিপ্ত হয় এবং একে অপরের সাথে এবং ক্ষয়িষ্ণু মুঘল সাম্রাজ্যের সাথে সহযোগিতা করে। এই সত্ত্বাগুলির মধ্যে ক্ষমতার লড়াই অবশেষে ভারতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ক্রমবর্ধমান নিয়ন্ত্রণের পথ প্রশস্ত করে।

Related Short Question:

প্রশ্ন 1: মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের সময় মারাঠারা কারা ছিল?

 Ans: মারাঠারা ছিল পশ্চিম দাক্ষিণাত্যের একটি যোদ্ধা সম্প্রদায় যারা পশ্চিম, মধ্য এবং দক্ষিণ ভারতে একটি শক্তিশালী কনফেডারেসি প্রতিষ্ঠা করেছিল।

 প্রশ্ন 2: মুঘল পতনের সময় দক্ষিণ ভারতের কোন অঞ্চল একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক শক্তি হিসাবে আবির্ভূত হয়েছিল?

 Ans: হাইদার আলী এবং টিপু সুলতানের মতো শাসকদের নেতৃত্বে মহীশূর রাজ্য দক্ষিণ ভারতের একটি বিশিষ্ট আঞ্চলিক শক্তিতে পরিণত হয়েছিল।

 প্রশ্ন 3: মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের সময় শিখ সাম্রাজ্যের তাৎপর্য কী ছিল?

 Ans: মহারাজা রঞ্জিত সিংহের অধীনে শিখ সাম্রাজ্য, পাঞ্জাব এবং কাশ্মীরের কিছু অংশ সহ ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের উপর নিয়ন্ত্রণ লাভ করে।

 প্রশ্ন 4: কোন অঞ্চলে মুঘল শক্তি দুর্বল হওয়ার পর স্বাধীন নবাব ও শাসকদের উত্থান ঘটেছে?

 Ans: বাংলা বিভিন্ন স্বাধীন নবাব এবং শাসকদের উত্থান প্রত্যক্ষ করেছিল যারা পূর্ব ভারতের উপর উল্লেখযোগ্য নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ করেছিল।

 প্রশ্ন 5: মুঘল পতনের সময় বর্তমান উত্তর প্রদেশের কোন অঞ্চলে প্রভাবশালী নবাব ছিল?

 Ans: বর্তমান উত্তর প্রদেশের আযোধ্যা নবাব ছিলেন যারা তাদের স্বাধীন শাসন ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

 প্রশ্ন 6: মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের সময় হায়দ্রাবাদ কী ভূমিকা পালন করেছিল?

 Ans: নিজামদের দ্বারা শাসিত হায়দ্রাবাদ, দক্ষিণ দাক্ষিণাত্যে একটি শক্তিশালী রাজবংশ হিসেবে আবির্ভূত হয়, এই অঞ্চলে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে।

 প্রশ্ন 7: পশ্চিম ভারতের কোন অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণকারী স্বাধীন শাসকদের উত্থান ঘটেছে?

 Ans: গুজরাট স্বাধীন শাসকদের উত্থান দেখেছিল যারা তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল এবং পশ্চিম ভারতে ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করেছিল।

 প্রশ্ন 8: মুঘল পতনের সময় রাজপুত রাজ্যের অবদান কী ছিল?

 Ans: রাজস্থানের রাজপুত রাজ্য এবং রাজকীয় রাজ্যগুলি তাদের স্বায়ত্তশাসন বজায় রেখেছিল এবং উত্তর ভারতের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

Next Post Previous Post